আমি কাউসার আহমেদ, JoomShaper – এর প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও
আমি যেভাবে কাজ করি

Shares

নাম ও পেশা

কাউসার আহমেদ, JoomShaper – এর প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও।  

জুমশেপার শুরু করার পেছনের গল্পটা সবার সাথে শেয়ার করবেন?

আমি তখন টেক্সটাইল কলেজে (বর্তমানে বাংলাদেশ টেক্সটাইল ইউনিভার্সিটি) পড়ি এবং পড়াশুনার পাশাপাশি টিউশনি করি। প্রায় একবছর টিউশনি করে আমি কিছু টাকা জমিয়ে এলিফেন্ট রোড থেকে ৭৫০০ টাকা দিয়ে একটা অনেক পুরাতন কম্পিউটার কিনি। ঐ কম্পিউটারেই শুরু করি প্রোগ্রামিং এবং কিছু ছোট ছোট ডেক্সটপ সফটওয়্যার বানাই এবং ধীরে ধীরে এটা আসক্তিতে পরিণত হয়। বলে রাখা ভাল যে তখন আমাদের হলে ইন্টারনেটও ছিলনা তাই বই পড়ে কিংবা সাইবার ক্যাফেতে বসে শিখেছি অনেক কিছু। প্রায় দুই বছর ডেক্সটপ প্রোগ্রামিং করি এবং বেশ কিছু সফটওয়্যার ডেভেলপ করি যদিও আর্থিক ভাবে সফল হতে পারিনি। পড়ে ২০০৯ সালে ডেস্কটপ প্রোগ্রামিং ছেড়ে ওয়েবে আসি এবং কিছুদিন ফ্রিল্যান্সিং করি। তখন থেকে মাথায় একটা ব্যাপার কাজ করত যে একটু ব্যাতিক্রম কিছু করতে হবে এবং সেই চিন্তা ধারনা থেকে জুমশেপার প্রতিষ্ঠা করি ২০১০ সালে যা আমাদের দেশের সর্বপ্রথম মেম্বারশিপ ভিত্তিক টেম্পলেট ক্লাব।

আপনার কিছু ব্যর্থতার কথা বলুন যেটি আপনাকে সাফল্যে অনেক বেশি সহায়তা করেছে?

প্রথম দিকে অনেক স্ট্রাগল করেছি। নিজের বানানো সফটওয়্যার বাজারজাত করানোর জন্য অনেক কষ্ট করেছি কিন্তু ব্যর্থ হয়েছি। অনেক কোম্পানির সাথে কাজ করার চেষ্টা করেছি কিন্তু সফল হতে পারিনি। অনেক প্রতিষ্ঠানের জন্য সফটওয়্যার ডেভেলপ করে চুক্তি অনুযায়ী পারিশ্রমিক পাইনি। তবে জুমশেপার শুরু করার পর সব কিছু ভালই চলছিল যতদিন আমি একা একা কাজ করেছি। আমি প্রায় দেড় বছর একা একা কাজ করি তারপর অফিস নেই। অফিসের শুরুটা খুব একটা ভাল হয়নি।

  • কেউ সময় মত অফিসে আসত না
  • অফিস মিস করত
  • তারপর কাজ শিখার পর চলে যেত যা অনেক হতাশার ছিল

এই সমস্যাটা অনেকদিন চলেছে তবে সময়ের সাথে সাথে সমাধান হয়ে গেছে।

আপনাদের টিম মেম্বারদের মধ্যে একটা  রিদম আছে, এর রহস্য কি? টিম মেম্বার বাছাই করতে কি আপনার কোন কৌশল আছে?

হাহাহা, বলতে গেলে মনে হচ্ছে আমি খুব ভাগ্যবান। সত্যিই এরকম একটা টিম পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার। এখানে যারা কাজ করে তারা সত্যিকারের একটা পরিবারের মত। তবে টিম মেম্বার নির্বাচনের ক্ষেত্রে আমরা কয়েকটা ব্যপার খুব লক্ষ্য করি যার মধ্যে অন্যতম হচ্ছেঃ

  • মেধা
  • রুচি
  • ভদ্রতা

আপনি যদি একটা জিনিস লক্ষ্য করেন তাহলে দেখবেন যে টিমে যারা আছেন তারা তাদের প্রাত্যহিক জীবনে খুব অমায়িক। কোন রকম ধাম্বিকতা নাই, নাই কোন অহংকার।

JoomShaper এর টিম

JoomShaper এর টিম

আপনার স্টার্ট-আপের সবচেয়ে বড় বাঁধা কি ছিল এবং আপনি কিভাবে তা সমাধান করেছেন?  

আমাদের দেশের স্টার্ট-আপের সব কিছুতেই বাঁধা। আমাদের সবচেয়ে বড় বাঁধা ছিল পেমেন্ট গেটওয়ে। যেহেতু দেশে পেপাল নাই সেক্ষেত্রে অনেক খুঁজে খুঁজে পেপালের বিকল্প পেমেন্ট গেটওয়ে (2Checkout) বের করতে হয়েছে যা আমাদের দেশে কাজ করে।  

কোন বিষয়টি আপনার কোম্পানীকে বিশেষত্ব দান করেছে?

আমি মনে করি আমাদের প্রোডাক্ট কোয়ালিটি ও কাজের ধরন। তার পাশাপাশি চমৎকার কাজের পরিবেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

আপনারাতো টেম্পলেট নিয়েই কাজ করেন। টেম্পলেট নিয়ে আপনাদের ভবিষ্যত পরিকল্পনা কি? টেম্পলেট নিয়েই কি এগিয়ে যাবেন নাকি অন্য কোন প্রোডাক্ট নিয়েও কাজ করবেন?

আমাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা হল জুমশেপারকে বিশ্বের ১ নম্বর টেম্পলেট ক্লাবে প্রতিষ্ঠিত করা। টেম্পলেটের পাশাপাশি অন্যান্য প্লাটফর্মেও কাজ করা পরিকল্পনা আছে তবে তা খুব শীঘ্রই নয়।  

আমরা শুনেছি আপনারা এখন ওয়ার্ডপ্রেসও কাজ করছেন। দীর্ঘদিন জুমলাতে কাজ করে ওয়ার্ডপ্রেস এ কাজ করার কি কোন নির্দিষ্ট কারণ আছে?

ওয়ার্ডপ্রেসে এক্সপান্ড করেছি মূলত অন্যান্য প্লাটফর্মে কাজ করার পরিকল্পনা থেকে। আমরা সব প্লাটফর্মেই কাজ করতে চাই আর এই জন্যই আপাতত জুমলার পাশাপাশি ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ে কাজ করছি।

JoomShaper এর অফিস

JoomShaper এর অফিস 

আপনাদের নতুন প্রোডাক্ট ShapeBootstrap.net সম্পর্কে কিছু বলেন।

গত জুনে আমরা এইচটিএমএল টেম্পলেটের জন্য একটা মার্কেটপ্লেস লঞ্চ করি ShapeBootstrap.net নামে যা ইতোমধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছি। দেশ ও দেশের বাইরের অনেকেই প্রোডাক্ট আপলোড করছে যা সত্যিই অনেক আশাব্যঞ্জক। আমরা খুব উৎফুল্ল কমু্যনিটির এমন সক্রিয় অংশগ্রহণে। আমরা আশা করি ShapeBootstrap.net খুব শীগ্রই বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় একটা মার্কেটপ্লেসে পরিণত হবে।

উদ্যোক্তাদের বড় একটি সমস্যায় পড়তে হয় পার্টনার নির্বাচন করায়। এই বিষয়ে আপনার কোন পরামর্শ আছে?

 আমি যেহেতু একটা একক উদ্যোগে কাজ করছি সুতরাং এ ব্যাপারে খুব বেশি কিছু বলার নাই তবে আমি মনে করি সমমনা, বুদ্ধিমান, সৎ ও পরিশ্রমী ব্যক্তিকে পার্টনার করা যেতে পারে। আরও একটা কথা, পার্টনারকে অবশ্যই ভিশনারি হতে হবে।  

আপনার মতে, আপনি কাকে উদ্যোক্তা বলেন আর কাকে ব্যবসায়ী?

আমার মতে যে নিজে উদ্যোগী হয়ে নিজের আইডিয়া নিয়ে কাজ করে সেই উদ্যোক্তা। একজন উদ্যোক্তা নিজের উদ্যোগকে বাস্তবায়ন করতে নিজের সময়, অর্থ ও শ্রম ইনভেস্ট করে থাকে। অপরদিকে একজন ব্যবসায়ী সবসময় উদ্যোক্তা নাও হতে পারে। সে হয়তো ইতোমধ্যে লাভজনক কোন ব্যবসার ডিলারশিপ নিয়ে কাজ করছে অথবা পরিবারের কোন ব্যবসাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।  

একজন ব্যবসায়ী সব সময় সৃষ্টিশীল হয়না যেখানে একজন উদ্যোক্তা নিজের সৃষ্টিশীলতাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে কাজ করে যায়।  

উদ্যোক্তারা সব সময়ই চেষ্টা করে নতুন কিছু করার। নতুন কিছু করতে গিয়ে নতুন নতুন রিস্ক নেয় প্রতিনিয়ত।

আপনি আপনার টিম মেম্বারদের আপনার সাথে দীর্ঘ সময় কাজ করার জন্য কিভাবে অনুপ্রাণিত করেন ?

আমি চেষ্টা করি নিজে একজন টিম মেম্বার হয়ে থাকতে। কখন বসের মত আচরণ করিনা। আমার ব্যক্তিগত রুম থাকা সত্ত্বেও আমি টিমের সবার সাথে বসে কাজ করি। দুপুরে এক সাথে লাঞ্চ করি। টিম মেম্বারদের সাথে খেলাধুলা করি। টিমকে মোটিভেটেড রাখতে মাঝে মধ্যে মুভি দেখতে যাই সবাইকে নিয়ে, লাঞ্চ/ডিনার পার্টি করি এমনকি মাঠে খেলাও দেখতে যাই। অফিসে টেবিল টেনিস খেলার ব্যবস্থা আছে, রেখেছি গেমস খেলার ব্যবস্থাও। আর টিমের সবাই খুব আন্তরিক যার জন্য সবাইকে অনুপ্রানিত রাখা আমার জন্য আর সহজ হয়ে গেছে।

JoomShaper এর গেমিং রুম

JoomShaper এর গেমিং রুম

কিভাবে আপনার টিম মেম্বাররা আপনার ভিশনের সাথে এক হয়?

আসলে আমি অনেক বড় বড় স্বপ্ন দেখি। এই স্বপ্নগুলো টিমের সবার সাথে শেয়ার করি ও তাদের মতামত নেই যা তাদের মধ্যেও একটা আগ্রহ তৈরি করে। তখন সবাই আমার স্বপ্নের সাথে জুড়ে যায় এবং নিজের সবটুকু দিয়ে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করার জন্য কাজ করে যায়।  

আপনার সফলতার পেছনে কোন জিনিসটির অবদান সবচেয়ে বেশি?

সত্যি বলতে কি, সফলতা বলতে যা বুঝায় তা এখনো আসেনি। তবে হ্যাঁ, যতটুকু সফল হয়েছি তার পিছনে দুটো ব্যপার কাজ করে বলে আমি মনে করি।  

  1. আমার ভিশন আমার কাছে পরিষ্কার আর আমি আত্মবিশ্বাসী। আমি যখন কোন কিছু নিয়ে কাজ শুরু করি তখন খুব সহজে হাল ছেড়ে দেইনা। আমি কখনো কোন কাজের মাঝখানে অন্য কাজ করা শুরু করিনা। যতক্ষণ না একটা টাস্ক শেষ না হচ্ছে ততক্ষণ যত ভাল আইডিয়াই মাথায় আসুকনা কেন আমি তা নিয়ে কাজ শুরু করে দেইনা।
  2. টিমের সবার একাগ্রতা। জুমশেপার সত্যিকার অর্থের একটা ছোট পরিবারের মত। এখানে সবাই খুব বন্ধুত্বপূর্ণ মানসিকতার অধিকারী। আমি বিশ্বাস করি টিমের সবাই অসাধারণ মেধাবী ও পরিশ্রমী যারা তাদের মেধা ও শ্রম দিয়ে কোম্পানিকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

 

JoomShaper এর টিম

JoomShaper এর টিম

প্রতিদিন আপনার কাছে এমন কি মনে হয়, যে আপনি সবার থেকে আলাদা?

হাহাহা, আমার মনে হয় আমি আলাদা কিন্তু দিন শেষে যখন নিজের কাজের দিকে ফিরে তাকাই তখন আর আলাদা মনে হয় না। সত্যি বলতে কি নিজেকে আলাদা ভাবার মত এখনো কোন কাজ করতে পারিনি।  

আপনার প্রতিদিনকার কাজ সম্পাদন করার জন্য কোন ডিভাইসটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করে থাকেন এবং কেন?

আমি আমার ১৫” ম্যাকবুক প্রো রেটিনা ব্যবহার করে থাকি। ম্যাকবুক প্রো একটি চমৎকার ল্যাপটপ যা দিয়ে প্রায় সব ধরনের কাজ অনেক দ্রুততার সাথে করা যায়। এর বাইরে আইফোন-৬ ব্যবহার করি যখন বাইরে থাকি তখন ইমেইল, টুইটার ও ফেসবুক চেক করার জন্য।  

প্রতিদিনের টু-ডু লিস্ট তৈরি করার জন্য কোন সফটওয়্যার/পন্থাটি আপনার কাছে সেরা মনে হয়?

আমি বেশ কিছু সফটওয়্যার/সল্যুশন ব্যবহার করে থাকি তার মধ্যে অন্যতম ট্রেলো, এভারনোটএনিডো অন্যতম। মাঝেমধ্যে কাগজ কলম ব্যবহার করি যা আমার জন্য সব চাইতে বেশি প্রোডাকটিভ।  

একজন বাংলাদেশি হিসেবে যানজট আমাদের নিত্য দিনের সঙ্গী। আপনি যানজটের সময়টাকে সদ্ব্যবহার করার জন্য কি করেন?

আমি যানজটের বেশিরভাগ সময় মুভি দেখি। তবে কোন সমস্যা যার সমাধান আগে চেষ্টা করেও সমাধান করতে পারিনি তার সমাধান মাথায় আসলে চট জলদি করে ফেলি। তাছাড়া ফোনকল আমি যানজটের সময়ে করে ফেলি যাতে করে অফিসে গিয়ে ফোনে সময় নষ্ট না হয়।  

আপনার কাজের স্থানটি কেমন?

আমি আগেও বলেছি যে আমি টিমের সবার সাথে বসে কাজ করি। একটা বড় টেবিল সাথে চেয়ার আর আমার ম্যাকবুক প্রো, এইতো। তবে আমাদের অফিস অনেক চমৎকার। সম্পূর্ণ সাদা ইন্টেরিওর যা মনের মধ্যে এক ধরনের শুভ্রতা তৈরি করে। আমার নিজস্ব একটি রুম আছে যেখানে মূলত গেস্টদের সাথে কথা বলি।

1121212

JoomShaper এর ওয়ার্কস্পেস

আপনার দৈনিক ঘুমোনোর সময়সূচি কেমন?

আমি ঘুমাই রাত ১-২ টার মধ্যেই। খুব সকালে ঘুম থেকে উঠতে পারিনা তবে চেষ্টা করছি আরও তাড়াতাড়ি ঘুমানোর। হয়তো কিছুদিনের মধ্যেই ১১ টার মধ্যেই ঘুমিয়ে যাব।  

একজন উদ্যোক্তার কোন তিনটি বই বা সিনেমা অবশ্যই পড়া বা দেখা উচিৎ?

  1. সর্ব প্রথমেই যে সিনেমাটার নাম বলব সেটা হয়তো অনেকেই জানেন আর তা হল, The Pursuit of Happyness। খুব কম উদ্যোক্তাই আছেন যারা মুভিটা দেখেন নাই। এই মুভিতে দেখানো হয়েছে সুখের খোঁজে থাকা একজন মানুষকে কতটা স্ট্রাগল করতে হয়েছে।
  2. দ্বিতীয়ত যে মুভিটা সাজেস্ট করব তার নাম হল, Forrest Gump। এই মুভিতে দেখানো হয়েছে যে একজন অতি সাধারণ মানুষের বিভিন্ন পেশায়/কাজে কিভাবে সফলতার শিখরে পৌছেছেন।
  3. তৃতীয় যে মুভিটা হল Jobs। এই মুভিতে ওয়ার্ল্ডের মোস্ট ভিশনারি পারসন স্টিভ জবসের অ্যাপল কোম্পানির শুরু কিভাবে হয়েছে তা দেখানো হয়েছে। দেখানো হয়েছে কিভাবে তাকেই তার কোম্পানি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। কিভাবে গ্যারেজ থেকে শুরু করে বিশ্বের সব চাইতে বড় টেক কোম্পানি হয়েছে তাও দেখানো হয়েছে। যারা একটু বড় পরিসরে চিন্তা করে তাদের অবশ্যই এই মুভিটা দেখা দরকার। আমি মাঝে মধ্যেই দেখি।
121212

JoomShaper এর ঘুমের জায়গা

বাংলাদেশের কিছু সম্ভাবনাময় উদ্যোক্তাদের সম্পর্কে বলুন যাদের সফলতার গল্প আপনার কাছে উল্লেখযোগ্য মনে হয়?

  1. ফাহিম মাশরুর, বিডিজবস
  2. পারভেজ আখতার, থিমএক্সপার্ট
  3. হাসিন হায়দার, থিমবাকেট
  4. শায়ের হাসান, ন্যাসেনিয়া
  5. করভী রাকশান্দ, জাগো ফাউন্ডেশন
  6. মাহমুদুল হাসান সোহাগ, অন্যরকম গ্রুপ
  7. আবুল কাশেম, Xponentweb 

যারা ভবিষ্যতের উদ্যোক্তা হতে যাচ্ছে তাদেরকে আরও উৎসাহিত করতে আপনার উপদেশ কি হবে?

আসলে উপদেশ দেওয়ার মত যোগ্যতা এখনও আমার হয়নি তবে এতদিনের অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি যে –  

উদ্যোক্তাদের জীবন এতো সহজ না। প্রতিনিয়ত অনেক প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হবে যা খুব ঠাণ্ডা মাথায় সমাধান করতে হবে। লেগে থাকার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে, অন্যথায় সফল হবার সম্ভাবনা কমে যাবে। নিজের বুদ্ধিমত্তা দিয়ে কাজ করতে হবে এবং সৎ ও পরিশ্রমী হতে হবে।  

শূন্যস্থান পুরন করুন, আমি এই একই প্রশ্নের উত্তর গুলো  ______ কাছ থেকে শুনতে পছন্দ করব।

রিফাত আহমেদ, ব্র্যান্ড এম্বাসেডর, পেয়নিয়ার। 10714461_10152530140258543_5391348604554067532_o

Shares